আর আমার বিশ্বাসে আঘাত লাগেনা বুঝি?

মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।

মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন। ছবিটা আমি নিয়েছি ধর্মকারী থেকে।

গত কিছুদিনের মধ্যেই দুটো ঘটনা মনটাকে ভীষণ ভাবে নাড়া দিয়ে গেল। প্রথম ঘটনা হিন্দী ছবি pk বন্ধ করার জন্য হিন্দুত্ববাদীদের মারদাঙ্গা ভাঙচুর। আর দ্বিতীয় ঘটনাটা প্যারিসে। শার্লি এবদো পত্রিকার অফিসে বর্বরোচিত হামলা, যার বলি দশজন নিরস্ত্র সাংবাদিক ও চিত্রশিল্পী। দুটো ঘটনা এক নয়। প্রথমটাতে অন্তত কেউ হতাহত হননি। আর শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে pk সারা বিশ্বে রমরমিয়ে চলছে। মানুষ ভাঙচুরের জবাব দিয়েছেন দলে দলে সিনেমা হলে ভিড় জমিয়ে। লাঠির বদলা সিনেমার টিকিট। মানে একটা সভ্য সমাজে প্রতিবাদ যেরকম ভাবে হওয়া উচিত, মানুষ এই ধর্মের ষাঁড়েদের জবাব দিয়েছেন ঠিক সেইভাবে। দ্বিতীয় ঘটনাটাকে কিন্তু অত সহজভাবে নিতে পারছিনা, কারণ এটার আগাগোড়া রক্তে মাখামাখি।

এই ঘটনাদুটোর বিষয়ে নানা মুনির নানা মত। ঘটনাদুটোর, বিশেষ করে দ্বিতীয় ঘটনাটার, চার রকমের প্রতিক্রিয়া দেখতে এবং শুনতে পাচ্ছি চারিদিকে। প্রথম দল দ্ব্যর্থহীন ভাষায় এর নিন্দে করেছেন। কোন যুক্তি দিয়েই নিরস্ত্র মানুষের প্রাণনাশ সমর্থন করা যায়না। দ্বিতীয় দল মোটামুটি একই কথা বলছেন, তবে দ্বিতীয় ঘটনাটার সম্বন্ধে বলতে গিয়ে একটা মুচকি হাসি হাসছেন, আঙুল তুলছেন কয়েকজন খুনীর দিকে নয়, একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের পুরোটার ওপর। ভাবটা এই যে, কেমন? বলেছিলাম না? ও শালারা এরকমই।

তৃতীয় দল মিনমিন করে ঘটনাটার নিন্দে করছেন বটে, কিন্তু সেই সঙ্গে চাপা গলায় বলছেন যে ওরকম সাঙ্ঘাতিক সব ছবি আঁকার কী প্রয়োজন ছিল? বা ওরকম ভাবে ধর্মগুরুদের বেআব্রু করা কী ঠিক? এর একটা প্রতিক্রিয়া তো হবেই। এটা শুনে বলতে ইচ্ছে করছে, সে তো হবেই। খোলামেলা পোষাক পরে মেয়েরা রাস্তায় বেরোলে কি প্রতিক্রিয়া হয়না? ধর্ষণ হয়না? নিশ্চয়ই হয়। আর দোষ তো অতি অবশ্যই ওই নির্লজ্জ বেহায়া মেয়েগুলোর। বাচ্চা ছেলেগুলো কি আর মাথা ঠিক রাখতে পারে ওরকম পোষাক আর ভাবভঙ্গি দেখে? যেখানে বাচ্চাদের দাদারাই তাদের বরাভয় দেখান?

চতুর্থ দল সবার এককাঠি ওপরে। তাঁরা একদম খুল্লমখুল্লা এই দাঙ্গাবাজ আর খুনীদের স্বপক্ষে। ওরা যা করেছে বেশ করেছে! আমার পেছনে কাঠি করলে তার উচিত শিক্ষা দেওয়ার হক আমার আছে। তার জন্য যদি রক্তগঙ্গা বওয়াতে হয় তো তাও সই। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ তো খুনীদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেও বসে আছেন। খুনীদের ধরার জন্য পুরস্কার নয়। সেটা হলে তো ভালই হত। খুনীরা যে মহান কার্যটি সমাধা করেছে, তারই পারিতোষিক। পারিতোষিক নেহাত অল্পও নয়। কোথায় যেন দেখলাম যে প্রায় একান্ন কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। কোন সভ্য দেশে এই ধরণের পুরস্কার ঘোষণা করার পর (এবং যেখানে ঘোষক ব্যক্তিটি একটি সাংবিধানিক পদের অধিকারী) সে লোকটি জেলের বাইরে থাকে কী করে সেটা অবশ্য একটা বড় প্রশ্ন। কিন্তু সে অন্য আলোচনা।

দুটো ঘটনার সপক্ষে একই যুক্তি খাড়া করা হয়েছে। pk সিনেমা বা শার্লি এবদো পত্রিকা কিছু লোকের ধর্মবিশ্বাসে আঘাত দিয়েছে। তারই ফল এই হামলা, এই রক্তক্ষয়। কথাটা মিথ্যে নয়। pk ধর্মগুরু, বিশেষ করে হিন্দু ধর্মগুরু এবং হিন্দু ধর্মবিশ্বাসের বিরুদ্ধে প্রবলভাবে সোচ্চার। শুধু তাই নয়, সিনেমাটা দেখে আমার মনে হয়েছে যে অ‍ত্যন্ত একপেশে ভাবে হিন্দু ধর্মকে আক্রমণ করা হয়েছে। শার্লি এবদো তো সবার উপরে। যাবতীয় ধর্ম, তাদের তাবড় দেব দেবী, মসীহা, নবী — সবারই ওপর ব্যঙ্গের বিষোদ্গার করতে তার জুড়ি নেই। তথাকথিত ধার্মিকদের যে এই সিনেমা বা ছবি দেখে গাত্রদাহ হবে, এতে আর আশ্চর্য কী? লক্ষ্য করবেন যে তথাকথিত শব্দটা ব্যবহার করছি এখানে। কেন করছি সে আলোচনা করব পরে।

আমার এই পোস্ট তৃতীয় এবং চতুর্থ দলের উদ্দেশ্যে। অন্যের ধর্মবিশ্বাসে আঘাত করাটাকে পৃথীবীর অনেক দেশেই, যার মধ্য আমাদের এই মহান ভারতবর্ষও আছে, খুব একটা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হয়না। এখানে তো কথায় কথায় লোককে গারদে পুরে ফেলে। এতে অবশ্য উপরোক্ত সাংবিধানিক পদাধীকারীটি এখনো কেন জেলের লাপসি খাচ্ছেননা সেই প্রশ্নটা আরো বড় হয়ে দেখা দেয়। বাকস্বাধীনতা চুলোয় যাক, কারুর যেন আঘাত না লাগে, এই হচ্ছে নীতি। উত্তম প্রস্তাব। কিন্তু আমার দুটি প্রশ্ন। প্রথমতঃ, আমার ধারণা যে আমি যাই বলিনা কেন, যাই করিনা কেন, কারুর না কারুর সে ব্যাপারটা খারাপ লাগতে বাধ্য। এ একেবারে অমোঘ সত্যি। তাহলে কি কথা বলা বন্ধ করে মুখে কুলুপ দিয়ে বসে থাকতে হয়? আর দ্বিতীয় প্রশ্ন এই সব আঘাতপ্রাপ্ত ধার্মিকজনের প্রতি। একবার বলুন তো মশাইরা, বিশ্বাসে আঘাত লাগার অধিকারটা কি একা আপনাদেরই? ঠুনকো বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরে থাকা এবং বিশ্বসুদ্ধ লোকের ওপর সে বিশ্বাসের বিধিনিষেধগুলো চাপিয়ে দেওয়ার মৌরসিপাট্টা কি আপনারাই নিয়ে বসে আছেন? আপনাদের তথাকথিত ধর্ম এবং তার রীতিনীতি যদি আমার বিশ্বাসে প্রতি মুহুর্তে আঘাত করে, তাহলে কি আমি রামদা হাতে আপনাদের মুন্ডু কাটতে ছুটব?

দ্বিতীয় প্রশ্নটা শুনে চোখ কপালে ওঠাটা স্বাভাবিক। আরে আরে! দাঁড়ান মশাই দাঁড়ান। আপনার বিশ্বাসে আঘাত লাগছে মানে? আমরা তো স্রেফ ধর্মাচরণ করছি। আপনার তাতে আপত্তি হচ্ছে কেন? সঙ্গত প্রশ্ন। উত্তরটাও তাহলে খুলেই বলি। আমি নাস্তিক। নাস্তিক মানে ঘোর নাস্তিক। ঈশ্বরের অস্তিত্ব (অন্তত যে রূপে সাধারণতঃ ঈশ্বরকে কল্পনা করা হয়ে থাকে) সম্বন্ধে আমি নিদারুণ সন্দিহান। আর যাবতীয় ধার্মিক রীতিনীতির সঙ্গে আমার অহিনকুল সম্পর্ক। জন্মসূত্রে হিন্দু হলেও আজ অবধি নিজের ইচ্ছায় কোনদিন কোন পুজোআচ্চা করিনি। ছোটবেলায় ব্রেকফাস্টের ডিমটা আমি খেতাম ঠাকুমার পুজোর সিংহাসনের সামনে পুজোর আসনে বসে। তার জন্য বিস্তর গালিগালাজ শুনেছি, কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে এর জন্য মারধোর কোনদিন খেতে হয়নি। আর আমিও আমার অভ্যাস পুরোদমে বজায় রেখেছিলাম, যতদিন উৎসাহ ছিল ততদিন। আগে ছিলাম জঙ্গী নাস্তিক। মানে ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে সবার সঙ্গে তুমুল তর্ক করতাম। এখন সে তর্কের অসারতাটা উপলব্ধি করেছি, তাই চুপ করে থাকি। কিন্তু নাস্তিকতা একচুল কমেনি। আর ধর্মীয় আচার আচরণ? ওগুলোতে আমার বিবমিষা হয়। হস্তীমুন্ডধারী দেবতার সামনে কিছু হস্তীমূর্খকে নাচতে দেখলে আমার ঘেন্না হয়। লোলজিহ্বা বিবস্ত্রা নরমুন্ডমালীনী শ্মশানবাসীনী পিশাচী দেবীকে মা বলে সম্বোধন করতে আমার আতঙ্ক হয়। বিশ্বসুদ্ধ লোকের কানে তালা লাগিয়ে দিনে পাঁচবার হেঁটমুন্ড উর্ধ্বপোঁদ হয়ে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে এক বধির ঈশ্বরের কানে প্রার্থনার বাণী পৌঁছনোর চেষ্টাকে আমার অসার মনে হয়। এই প্রত্যেকটি জিনিস আমার বিশ্বাসের মূলে আঘাত করে। শুধু আমার নয়, আর সব নাস্তিকের বিশ্বাসের মূলেও আঘাত করে। আর যেই এই রীতিনীতিগুলো পালন করে, সেই সজ্ঞানে বা অজ্ঞানে আমার বিশ্বাসে আঘাত করছে। আর নাস্তিকদের প্রতি বিষোদ্গার তো আছেই। প্রায়শই তো দেখি যে নানা দেশে নাস্তিকদের ধরে ধরে জেলে পোরা হচ্ছে বা কতল করা হচ্ছে। তাহলে? শুধু সংখ্যায় অল্প বলে কী আমাদের বিশ্বাসের দাম নেই? নাকি সে বিশ্বাসে আঘাত লাগানোর অধিকার ধার্মিকরা জন্মসূত্রে পেয়ে বসে আছেন? এ আঘাতের প্রতিকার কী? রামদা? নাকি বন্দুক? নাকি বোমা?

না। বোমা, বন্দুক, রামদা, কোনটাই নয়। কলমের জবাব দিতে হয় কলম দিয়েই, তলোয়ার দিয়ে নয়। আর ইতিহাসই বলবে, কলম তলোয়ারের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। আপনাদের ধর্মের জবাব আমরা কলম দিয়েই দেব। নাস্তিকের ধর্ম একটাই। আপনাদের ধর্মগুলোর মধ্যে যে অসারতা ও স্ববিরোধগুলো নিহিত আছে, সেগুলো মানুষের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া। মানুষকে যুক্তিবাদী হতে অনুপ্রাণিত করা। সে কাজটাই আমরা করে যাব। সেটাই হবে আপনাদের অন্তঃসারশূন্য ধর্মাচরণের যোগ্য জবাব। আপনারাও কি ঠিক সেভাবেই শার্লি এবদো এবং দুনিয়ার তাবড় অর্বাচীন নাস্তিকের স্পর্ধার জবাব দিতে পারেননা? জবাব দেওয়ার জন্য কি হিংসার আশ্রয় নিতেই হবে?

তফাৎটা সেইখানেই। নাস্তিক মানেই যুক্তিবাদী। কারণ ধর্মবিশ্বাস বস্তুটি মনুষ্যসমাজে জন্মের সময় থেকেই মনের মধ্যে গেঁথে দেওয়া হয়। তাই যে সেই বিশ্বাসটা কাটিয়ে উঠেছে, সে গভীর ভাবে যুক্তি দিয়ে চিন্তা করতে পারে বলেই কাটিয়ে উঠেছে। অপরদিকে এই অসহিষ্ণু ধর্মের ষাঁড়ের দল যুক্তি তর্কের ধার ধারেনা। আর যুক্তি না থাকলে বুদ্ধিও যে থাকবে এটা কী করে আশা করতে পারি? তারই ফল মারদাঙ্গা, রক্তগঙ্গা।

ধার্মিক মানেই কী অসহিষ্ণু? না। ছোটবেলায় তাই মনে করতাম বটে। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে সে ভুল ভাঙতে দেরী হয়নি। একটা ছোট্ট উদাহরণ দিই, নিজের জীবন থেকে। ওই ঠাকুরের সিংহাসনের সামনে বসে ডিম খাওয়ার গল্প বলছিলাম না? পুরো গল্পটা বলিনি কিন্তু। আমার দাদু ছিলেন পরম বৈষ্ণব। আমিষ তো দূরে থাক, পেঁয়াজ রসুন এমনকী মুসুরির ডাল অবধি খেতেন না। ওঁরই পুজোর আসনে বসে আমার এহেন কালাপাহাড়ি কান্ড। কিন্তু উনি ছিলেন প্রকৃত ধার্মিক। নিজের বিশ্বাসটাকে যে অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়, বা অন্যের বিশ্বাসের সঙ্গে নিজের মতে না মিললেই যে রামদার খোঁজ করতে নেই, এই জ্ঞানটা ওঁর ছিল। তাই আমার বেয়াড়া আচরণের জন্য ওঁর কাছ থেকে প্রশ্রয়ের হাসি ছাড়া আর কোনদিন কিছু পাইনি। এবং হাজার চেষ্টা করেও ওনাকে উত্যক্ত করতে না পেরে হতাশ হয়ে আমি নিজেই একদিন এ কাজের ইতি টেনেছিলাম। তথাকথিত ধার্মিক শব্দটা তাই আগে ব্যবহার করেছিলাম। সত্যিকারের ধার্মিকের সঙ্গে এই বকধার্মিকের দলের আকাশ পাতাল তফাৎ। আমার দাদু সত্যিকারের ধার্মিক ছিলেন, বুক চাপড়িয়ে ধর্মের আস্ফালন করা ভন্ড নয়। আসলে সত্যিকারের ঈশ্বরবিশ্বাস, নাস্তিকতার মতই, মানুষকে ক্ষমাশীল করে তোলে। সেই বিশ্বাসের ভিত্তিটা অনেক মজবুত। অল্প আঘাতেই সে বিশ্বাস টোল খায়না। তখন অন্যে কী করল না করল তাতে মাথা ঘামিয়ে মানুষ ক্ষ্যাপা কুকুরের মত আচরণ করেনা। বকধার্মিকের দলও এই কথাটা ভেবে দেখেছেন কী? আমরা নাস্তিকেরা ধর্মের প্রতি বিষোদ্গার করি কারণ আপনারা চটে যান বলে। আপনারা যদি না চটেন তো দেখবেন একদিন নাস্তিকের দলও হাল ছেড়ে দিয়েছে।

আরেকটা উদাহরণ দিই। এটাকে অবশ্য নিজের ঢাক নিজে পেটাচ্ছি বলে মনে করতে পারেন। আগেই বলেছি যে আমি কোনদিন পুজোআচ্চা করিনি। নিয়মানুযায়ী পিতৃশ্রাদ্ধ করিনি। এমনকী নিজের বিয়েতেও পুরুত ডাকতে আমার ঘোর আপত্তি ছিল। শেষমেশ প্রবল চাপের মুখে পড়ে নাম কে ওয়াস্তে আর্যসমাজী পুরুত ডাকা হয়েছিল। বাঙালি বিয়ের কোন রীতিই মানা হয়নি। সেই আমিই কিন্তু নিজের মেয়ের অন্নপ্রাশনে পুরুত ডেকে নিজে মন্ত্র পড়েছিলাম। কেন? কারণ আমার মেয়ের ধর্মবিশ্বাস তার নিজস্ব জিনিস। সে যদি বড় হয়ে বাপের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তো খুব ভাল কথা। কিন্তু সে যদি ধার্মিক হয়, আর আমাকে জিজ্ঞেস করে যে বাবা, তুমি আমার অন্নপ্রাশন করাওনি কেন, তোমার নাস্তিকতার বোঝা আমি বইব কেন, তখন আমি কী জবাব দেব? তাই অন্যের কথা ভেবে অনেক সময় নিজের বিশ্বাসটাকে চেপে রাখা যায়। তাতে কোন অন্যায় নেই। এই কথাটা আমাদের ধার্মিকজন একটু উপলব্ধি করবেন কী? এটাও উপলব্ধি করবেন কী, যে সেই সহিষ্ণুতা দেখানোর দায়টা কেবল আমাদেরই নয়? সেটা আপনাদের ক্ষেত্রেও সমান প্রযোজ্য?

মধ্যমা। হিংসার যোগ্য জবাব। উৎসঃ গুগল ইমেজ সার্চ।

মধ্যমা। হিংসার যোগ্য জবাব। উৎসঃ গুগল ইমেজ সার্চ।

 আলোচনাটা শেষ করি শার্লি এবদো আর pkর উদ্দেশ্যে সেলাম জানিয়ে। বেঁচে থাকো শার্লি, বেঁচে থাকো pk। আর বেঁচে থেকে লাগাতার দুনিয়ার যাবতীয় ধর্মের ষাঁড়ের পশ্চাদ্দেশে জ্বালাময়ী অনুভুতির সৃষ্টি করতে থাকো। যুগ যুগ জিয়ো। আর খুনী দাঙ্গাবাজের দল? তোমাদের উদ্দেশ্যে আমি আমার মধ্যমাটি প্রদর্শন করলাম। আর আমার অনুপ্রেরণা শার্লি এবদো। #JeSuisCharlie!

Advertisements

2 thoughts on “আর আমার বিশ্বাসে আঘাত লাগেনা বুঝি?

  1. পুরো বিষয়টার গভীরে গিয়ে ভাবলে বোধহয় এই বিভেদটা অনেক পরিষ্কার হবে। শার্লে এবদোর উপর আক্রমণ প্রকাশের অধিয়াক্রের উপর আক্রমণ। এই সঙ্গে আমাকেও দেখতে হবে যে বিভেদটা কিভাবে ধীরে ধীরে বাড়তেই থাকছে। প্রথম বিশ্বের বৈভব ধরণ ধারণ আর তৃতীয় বিশ্বের পিছিয়ে পড়ার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা কেন জানি না বড়ই ব্যঙ্গাত্মক হয়ে উঠছে। কেউ কাউকে ছাড়া থাকতে পারবে না এই সারসত্যটা কোথায় যেন কেউ বুঝতে পারছে না।

  2. খুব ভাল হয়ছে লেখাটা। অন্নপ্রাশনের প্রসঙ্গটা জেনে খুব ভাল লাগল। 🙂 এভাবেই থেকো।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s